সম্পাদকীয় : নামকরণের রাজনীতি নয়, উন্নয়ন চাই
সম্পাদকীয় : নামকরণের রাজনীতি নয়, উন্নয়ন চাই
নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের নাম পরিবর্তন করে সাবেক স্পীকার, সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি “আব্দুুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ, নোয়াখালী” নামকরণ করা হয়েছে। প্রায় এক মাস আগে গত ৮ জুলাই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রানালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে নাম পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। কিন্তু বিষয়টি থেকে যায় সবার অগোচরে, শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোই বিষয়টি জানতেন। একমাস পর গণমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টি জানতে পারেন। যা চলমান নোয়াখালীর গত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।Details
আজ চলমান নোয়াখালীর জন্ম দিন : বিরুদ্ধ সময়ে একযুগে প্রবেশ
আজ চলমান নোয়াখালীর জন্ম দিন : বিরুদ্ধ সময়ে একযুগে প্রবেশ
রুদ্র মাসুদ::ঢাকার কাগজগুলো আমাদের খবর ছাপতে চায় না। জায়গা পেলেও গুরুত্ব পায় না, গুরুত্ব পেলেও স্থান সংকুলান হয় না। আরো কত কি। তখন টিভি চ্যানেলের সংখ্যা নেহায়েত দু/একটা। এই স্বপ্ন থেকে একটি নোয়াখালী থেকে একটি সংবাদপত্র প্রকাশের আগ্রহ জন্মে। সেটি ২০০২ সালের শেষের দিকের কথা। সেই স্বপ্নের সাথে যুক্ত হন অগ্রজ সাইফুল্যাহ কামরুল। পত্রিকার নামের সাথে ‘নোয়াখালী’ যুক্ত করে ৫টি সম্ভাব্য নামের তালিকা দিয়ে আবেদন করা হয় জেলা প্রশাসকের কার্যালের বিচার শাখায়। নাম ছাড়পত্র করাতে এবং পুলিশের বিশেষ শাখা- ঢাকা থেকে অনুমোদন নিতে খেটেছেন সাইফুল্যাহ কামরুল (বর্তমানে সময় টিভির নোয়াখালী প্রতিনিধি)। আমি নিয়মিত তদ্বিরে ব্যস্ত ছিলাম নোয়াখালীতে। না জানি কোন এক অজানা দরখাস্তে পত্রিকার অনুমোদন বাধাগ্রস্থ হয়। ২০০৩ সালের শুরুতেই অবশেষে অনুমতি মিললো সাপ্তাহিক ‘চলমান নোয়াখালী’ প্রকাশের। প্রকাশনার দিনক্ষণ নির্ধারিত হলো ২০০৩ সালের ৩০ এপ্রিল। এবার অজানা শত্রু প্রকাশ্য রূপ পেলো। প্রকাশনা অনুষ্ঠান পন্ড করতে প্রকাশ্যে অবস্থান নিলো বিএনপির প্রভাবশালী একটি পক্ষ। Details
তরুণ আলোয় আগামির বাংলাদেশ
তরুণ আলোয় আগামির বাংলাদেশ
মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে বাংলাদেশের অগ্রগিত সম্ভব নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মধ্যেই লুকিয়ে আছে এ দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির বীজ। গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক সাম্য, অসাম্প্রদায়ির একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য মুক্তিযুদ্ধেও চেতনায় গড়ে তুলতে হবে আমাদের দেশকে। সেই সাথে ন্যায়বিচারের স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধে মানবতা বিরোধীদের বিচার সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরী। ২০১৩ সাল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঋদ্ধ তারুণ্যের পুনরুত্থানের বছর। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই। মিথ্যা রটনা ছড়িয়ে তারা প্রতিরোধ করতে চায় বাংলাদেশের পথচলা। কিন্তু যতদিন তারুণ্য জেগে থাকবে অমিত স্পর্ধান নিয়ে ততদিন অন্ধকারের শক্তিরা পরাজিত হবেই। লক্ষ্যপূরণে ২০১৪ সালেও অব্যাহত থাকবে আমাদের পথচলা। নতুন বছরের প্রত্যাশা নিয়ে লিখেছেন কবি, অনলাইন এক্টিভিস্ট প্রণব আচার্য্য...Details
মুস্তাফিজ-জাবেদদের মত নেতৃত্ব প্রয়োজন
মুস্তাফিজ-জাবেদদের মত নেতৃত্ব প্রয়োজন
আমাদের দেশে অনেক সংকট যেমন রয়েছে, তেমনি অনেক সংকট উত্তরণের পথও আমরা খুজেঁ পেয়েছি। অনেক উন্নয়নের সূচকে আমরা এগিয়েছি, বাংলাদেশ আর্ন্তজাতিকভাবে বেশ কিছু ক্ষেত্রে প্রশংসিত হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে, আর্ন্তজাতিক পর্যায়ের প্রতিযোগীতায় আমাদের অনেক অর্জন যেমন রয়েছে, তেমনি অনেক কিছু আমরা হরিয়েছি, আবার কিছু কিছু বিষয় হারাতে বসেছি। আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় একান্নবর্ত্তী পরিবার, লোকায়ত সংস্কৃতি, সামাজিক অনুশাসন, আইনশৃ্খংলা নিয়ন্ত্রনে উচ্চ মার্গের সামাজিক ব্যবস্থা ছিল। এ সকল ঐতিহ্য দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে । এর ফলে সমাজে দ্রুত অবক্ষয় হচ্ছ, আমাদের গর্ব বাঙালীর নিজস্ব স্বকীয়তা আমরা হারাতে বসেছি। ভোগবাদি ও চাকচিক্যের সমাজের সাথে দৌড়াতে গিয়ে দেশের বেশির ভাগ মানুষ কাক হয়েও ময়ূর হওয়ার মত ভেক ধরতে দ্বিধা করছেনা। Details
বেগমগঞ্জে আলোচনার শীর্ষে জাবেদ
বেগমগঞ্জে আলোচনার শীর্ষে জাবেদ
মন্তব্য প্রতিবেদন::রুদ্র মাসুদ:: মিনহাজ আহমেদ জাবেদ নামেই এখন আলোচনার ঝড় বইছে বেগমগঞ্জে। ১/১১’র ঐতিহাসিক পট পরিবর্তনের পরপরই বেগমগঞ্জের আকাশে উদিত হয় এক নতুন সূর্য। যার আলোয় গত প্রায় ৭ বছর ধরে আলোকিত হয়েছে বেগমগঞ্জের গ্রাম প্রান্তর। ২৮ বছর ধরে মেডিকেল কলেজের যেই মুলা নোয়াখালীবাসীর সামনে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিলো, সেই মেডিকেল কলেজও হয়েছে বেগমগঞ্জে। কদর্মাক্ত কিংবা খানা খন্দকে ভরা রাস্তা এখন পিচ ঢালা কলো রাস্তা। বাঁশের সাঁকো এখন ব্রীজ, জরাজীর্ণ গণমিলনায়তন এখন সুরম্য অট্টালিকা, যানজটের শহর চৌমুহনীতে এখন প্রশস্ত সড়ক। Details
আশ্বস্ত একরাম-আনিস : দুঃখিত হারুন!
আশ্বস্ত একরাম-আনিস : দুঃখিত হারুন!
শুক্রবার মাইজদীতে যা হয়ে গেলো তা কারো কাম্য ছিলো না। ইতোপূর্বে আরো অনেক সহিংসতা হয়েছে কিন্তু এতে ভয়াবহতা ছিলো না। সবচেয় বড় কথা শুক্রবারের কর্মসূচী পালন নিয়ে পুলিশ প্রশাসন ও সরকারি দলের নেতাদের সাথে বিএনপির নেতৃস্থানীয়দের পূর্ব পরামর্শ ছিলো। বিএনপি নেতৃত্ব আশস্ত করেছিলেন কোনো নাশকতা হবে না, সেই মোতাবেক আওয়ামী লীগও দলীয় কার্যালয় এবং প্রধান সড়ক ছেড়ে চলে যায়। তারপরও সহিংসতা হলো। শহরবাসী প্রত্যক্ষ করলো হাতে এবং মাথায় হলুদ কাপড়ের পট্টি বাধা একদল তরুণ কিভাবে প্রকাশ্যে ফিল্মি কায়দায় ককটেল ফাটাতে ফাটাতে অগ্রসর হলো, আওয়ামী লীগ অফিসে আগুন দেওয়া হলো এবং একত্রে এতোগুলো মটরসাইকেল পোড়ানো হলো। Details
তুমি বৈঠা ধরো আমি তামাক খাই
তুমি বৈঠা ধরো আমি তামাক খাই
-বিজন সেন- সকালে বিশুদ্ধ বায়ু সেবন ও প্রাতঃভ্রমন করেন এমন একজন সিনিয়র সিটিজেন আমাকে দেখে কিছুটা অশান্ত গলায় নাম ধরে ডাকলেন। আমি হাত তুলে তাঁকে আদাব দিলাম। তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় ভাষায় বললেন- আমরা কি শহরে আইটতাম অ হাইত্তাম ন নি। তোরা কী অরছ! আমি কিছুটা অপ্রস্তুত এবং বিব্রত। জিজ্ঞেস করলাম চাচা কি হয়েছে। তিনি আরো ক্ষুব্ধ হয়ে বললেন, তোগো চোখ নাই, কিছু দেছনা। পাশের একজন বললেন, সাংবাদিকরা তো বুক অই গেছে, হেতারা কিছু লেইখত ন।Details
এ শহরে আরো কাক দাও হে প্রভু
এ শহরে আরো কাক দাও হে প্রভু
বি জ ন সে ন হে প্রভু এ শহরে আরো কাক দাও। আমার প্রার্থনাটি পাঠকের কাছে পাগলের প্রলাপ বলেই মনে হবে। আমি আমার চাওয়ার স্ব^পক্ষে বলছি শহরটি এখন অনেক বড় হচ্ছে। পরিধি বাড়ছে আবাসন, বাজার, বাণিজ্যিক কেন্দ্র, হাসপাতাল, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের। শহরে বাড়ছে মানুষের চাপ। আবাসিক এলাকাগুলো নির্মিত হচ্ছে অপরিকল্পিতভাবে। মানুষের প্রয়োজনে নানাবিধ পণ্যের ব্যাবহারের কারণে বাড়ছে বর্জ্য। Details
মাননীয় মেয়র এই রাস্তায় কখনো হেঁটেছেন ?
মাননীয় মেয়র এই রাস্তায় কখনো হেঁটেছেন ?
প্রথম শ্রেণীর চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র মামুনুর রশিদ কিরন। বিপুল আগ্রহ নিয়ে পৌরসবাসী তাঁকে মেয়র নির্বাচিত করে। যদিও খুব বেশী ভোটের ব্যবধানে জিততে পারেননি তিনি। কারণ জিএস সুমন না দাঁড়ালে পরিস্থিতি কী হতো, তা সহজেই আঁচ করা যায়। যাক নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষন আমার উদ্দেশ্য নয়। মূল কথা হলো নির্বাচিত এই পৌর পিতাকে নিয়ে।Details
মালেক চাচা থেকে শিরীন আপায় নোয়াখালীর ঠিকানা
মালেক চাচা থেকে শিরীন আপায় নোয়াখালীর ঠিকানা
রুদ্র মাসুদ- প্রথম নারী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এটি এখন গোটা দেশবাসীর জানা। নোয়াখালীবাসীর জন্য এটি একই সাথে গর্বের, আনন্দের, আস্থা এবং নির্ভরতার। কারণ তিনি যে নোয়াখালীর সন্তান। তাঁকে ঘিরেই এখন জনমনে উঁকি দিচ্ছে আগামী সময়ের নোয়াখালীর উন্নয়ন-সম্ভাবনার যৌক্তিক আকাঙ্খা। যে আকাঙ্খার বীজ রোপিত হয় সাবেক স্পীকার মরহুম আব্দুল মালেক উকিলের হাত দিয়ে।Details
Showing Page 1 of 4 No more page No more page 1