গণমাধ্যম শুধুই ক্ষমতাহীনের আশ্রয়স্থল !
ক’বছর ধরে তিন মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস হিসাবে আমাদের দেশে পালিত হচ্ছে। উপকূলী জেলা নোয়াখালীতেও বেশ ঘটা করে পালিত হয় দিবসটি। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার এই দিনে গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের মধ্যদিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত পরিবেশ ও সংবাদ পরিবেশনের অবাদ সুযোগের বিষয়টি রাষ্ট্রের সামনে তুলে ধরার কথা। কিন্তু সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা গণমাধ্যমকর্মীদের একটি অংশ সেই পেশাগত দাবি এবং জনবান্ধব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতেই মরিয়া হয়ে উঠে। যা সমাজের অন্যান্য অনুষঙ্গের মতো সাংবাদিকতাকেও কলুষিত করে। গত ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করায় বিটিআরসি চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়ার পর আমরা দেখেছি সেখানকার সাংবাদিক ও কলাকুশলীদের কান্না। চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচার বন্ধ হওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমে যেভাবে ফলাও প্রচার পেয়েছে সেখানকার সাংবাদিকদের অনিশ্চিত আগামির বিষয়টির সেভাবে প্রচার পায়নি। আমাদের সাংবাদিক নেতৃত্বও বিষয়টি নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন বলে একজন মফস্বল সংবাদকর্মী হিসাবে বারবার মনে হয়েছে। এটি কেনো ? আগামিতে কোন মিডিয়া হাউজ যে বন্ধ হবে না এরকম নিশ্চয়তা কে দিবে ? তাহলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিশ্চয়তা কোথায় ?Details
একুশের চেতনায় আগামির বাংলাদেশ- একটি আহবান
প্রকাশনার শুরু থেকেই চলমান নোয়াখালী বাঙালীর ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত প্রতিটি মুহুর্তেই নানা প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছে। ৫২’র ভাষা আন্দোলন; যার পথ ধরে আমাদের স্বাধীনতা। মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমাদের এবারের আয়োজন ‘একুশের চেতনায় আগামির বাংলাদেশ’ ২১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।Details
আকুল বাসনা : জাতির সুসংহত ঐক্য গড়ে উঠুক
রাতের অবগুণ্ঠন সরিয়ে ভোরের হলুদাভ সূর্যটা আলো ছড়াবে দিগন্তজুড়ে। সরষে ক্ষেতের আলে খেজুরপাতার ফাঁকগলে পড়া সূর্যের সে আলোয় অতীতের সব দু:খ-ক্ষোভে মুছে সুন্দর একটি বছরের সূচনা হবে। সে আশায় স্বাগত জানিয়েছি ২০১০ সালকে। বিদায় জানিয়েছি ঘটনাবহুল ২০০৯।Details
প্রত্যাশার ২০১০ : আমাদের আত্মার শান্তি হোক
আমরা আলোচনার গোল চত্বরে সবসময় এভাবেই যোদ্ধাদের চিত্রপট এঁকে চলেছি। কেন জানি যুদ্ধের সময়ে মানসিক শান্তি, শারীরিক সম্ভ্রম বিসর্জন দেয়া অসংখ্য যোদ্ধা নারীর কথা আমাদের কন্ঠস্বর থেকে উহ্য থেকে যায়। আমরা “অসংখ্য মা বোন এর সম্ভ্রম এর বিনিময়ে.........................” এই কোটেশনটি ব্যবহার করেই আলোচনার দাঁড়ি টানি। “তারা” “তাদের” “বীর যোদ্ধাদের” ইত্যাদি সর্বনাম ধরে সব ধরনের বক্তব্য জন সম্মুখে নিয়ে আসি । শব্দটি উচ্চারিত হয় কেবল শ্রদ্ধার শুকনো ফুল হিসেবে।Details
নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলে ফসল উৎপাদনের অন্তরায় ও সম্ভাবনা
শীতকালীণ উষ্ণায়ন ও বৃষ্টিপাত কমে যাবার কারণে এই অঞ্চলের কৃষি, মৃত্তিকা ও সুপেয় মিষ্টি পানির অভাব দেখা দেবে যা এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার ওপর উল্লেখযোগ্য পরিমান প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপকূলীয় নোয়াখালীর কৃষি সম্ভাবনা নিয়ে লিখেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিউট নোয়াখালী'র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এম আমিন।Details
নোয়াখালী চরাঞ্চলে কৃষি উন্নয়নের সম্ভাবনা, অন্তরায়
বাংলাদেশের ১৬টি উপকূলীয় জেলার মধ্যে নোয়াখালী একটি। একসময় এ জেলার বিশাল জনপদ সমুদ্র/নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। কালের স্রোতে সেসব এলাকায় আবার পলি জমে বিশাল চর জেগে ওঠে। সেখানে আবার নতুন করে জনপদ গড়ে উঠেছে। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এই চরাঞ্চলে কৃষিক্ষেত্রে অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষি, মৎস্য ও পশুসম্পদ এ তিন ক্ষেত্রের সম্ভাবনাই উজ্জ্বল। এ সম্ভাবনা নিয়ে চলমান নোয়াখালীর অনুরোধে লিখেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কৃষিবিদ, অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী...Details
তারা এখনো থেমে নেই...
মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩৮ বছরেও থেমে নেই স্বাধীনতাবিরোধী চক্র। নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে তাদের তৎপরতা চলছে সমানতালে। স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায় সবর্ত্রই মুক্তযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মূলে আঘাত করতে তাদের নানা ক্রীয়াকলাপ চলছেই। এসব বিষয়ে লিখেছেন রুদ্র মাসুদ...Details
আগামির নোয়াখালী বিনির্মাণে চাই কার্যকর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত
সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় ইতোমধ্যে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ যেমন রেখেছে তেমনি বিশেষ বিশেষ এলাকাকে নিয়ে বিশেষায়িত অর্থনৈতিক জোন (অঞ্চল) করার পরিকল্পনার বিষয়টিও বলছে। তাই নিজেদের গুরুত্ব ( Importance ) জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে একমাত্র রাজনৈতিক নেতৃত্বকেই দায়িত্ব নিতে হবে। বর্তমান সরকার মতায় আসার পর নোয়াখালীর সদর-সুবর্নচর আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী সম্ভাবনাময় অনেকগুলো বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ে দেনদরবার এবং জেলা পর্যায়ে ভিন্ন মতের রাজনৈতিক নেতাদের উন্নয়ন সংশিষ্ট বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছেন। এটি একটি শুভ লক্ষণ। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখাবেন না। যার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে সমৃদ্ধ আগামির নোয়াখালী।Details
সুখের আশায়
মেঘনার করাল গ্রাসে হারিয়ে গেলো সে সাজানো গ্রাম, প্রাণচঞ্চল বাজার আর রাত-জাগা উৎসব গান-বাজনা, নাটক-যাত্রা, জারি আর মাইজভান্ডারীর গান। এখন আমরা নোয়াখালীর দক্ষিণে আমাদেরই পূর্বপুরুষের ঠিকানায় জেগে ওঠা খন্ড খন্ড চরের বাসিন্দা। চৌদ্দপুরুষের ভিটেমাটি হারিয়ে আমি এক পথ হারা পাখি এই চরের বুকে। সেই গ্রাম, সেই চেনা পথ, গোয়ালের গরু, রাখালের বাঁশি- আজ সবই যেনো থেকে থেকে বুকের ভেতরে গর্জন করে জেগে; মাতাল করে তোলে। বাঁশী আর বাজে না। দস্যুদের অস্ত্রের তান্ডবে আর ক্ষুধার জালায় বাঁশী আজ স্তব্ধ, নির্বিকার। সুরের বদলে আজ চরাপাশে বেদনার রোল। -ফেলে আসা অতীতের স্মৃতি নিয়ে লিখেছেন আমিরুল মোমিন বাবলু Details
খার্তুম থেকে কাবুল : সত্যিকার ইসলামের সন্ধান
১৮৮১ সালে পৃথিবীর অদ্বিতীয় ব্রিটিশ নৌশক্তি ফরাসীদের বিতাড়িত করে গোটা মিশর তাদের আয়ত্বে আনে। সূদান তখন মিশরের একটি প্রদেশ। কিন্তু অল্প কিছু দিনের মধ্যে সূদানের ধর্মীয় নেতা মোহাম্মদ আহাম্মদ, যিনি ‘‘মেহেদী” নামে পরিচিত খার্তুম দখল করে নিলেন। ব্রিটিশ জেনারেল গর্ডন বীরত্বের সাথে লড়ে তার সৈনিকদের সাথে মৃত্যুবরণ করেন। মেহেদীর নেতৃত্বে সূদানে প্রতিষ্ঠিত হলো ‘‘ দরবেশে সাম্রাজ্য”। জোনরেল গর্ডনের করুন মৃত্যু এবং সূদান হারানো- ব্রিটিশরা সহজে মেনে নিতে পারেনি। ১৩ বছর পর ১৮৯৮ সালে জেনারেল কিচেনার নেতৃত্বে ওমডারমানের যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনারা মেহেদীর দরবেশ বাহিনীকে পরাজিত করে। মেহেদী যুদ্ধে বীরত্বের সাথে লড়ে মৃত্যুবরণ করেন। ব্রিটেনের ভাবী প্রধানমন্ত্রী এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সমরনায়ক উইনস্ট চার্চিল ওই যুদ্ধের থিয়োটরে ছিলেন এক নতুন আর্মি অফিসার হিসাবে। Details
Showing Page 4 of 5 Go to first page Go to previous page    4