সেনবাগে ৬৯’র গণআন্দোলনে নিহত চার শহীদকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবী
সেনবাগে ৬৯’র গণআন্দোলনে নিহত চার শহীদকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবী
নিজস্ব প্রতিনিধি::’৬৯ এর গণআন্দোলনে নোয়াখালীর সেনবাগে পুলিশের গুলিতে নিহত চার শহীদের রাষ্ট্রীয়স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে। শুক্রবার সকালে সেনবাগ থানার মোড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন এ কর্মসূচির আযোজন করেন। শুক্রবার ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলা এ মানববন্ধন ও সমাবেশে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্নDetails
অস্ত্র নয় ঐক্যবদ্ধ মনোবলই ছিলো বড় পুঁজি
অস্ত্র নয় ঐক্যবদ্ধ মনোবলই ছিলো বড় পুঁজি
৪ঠা সেপ্টেম্বর ৭১'র এই দিনে নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জের বামনি বেড়ির ওপর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সাথে সন্মুখযুদ্ধে শহীদ হন ৬জন বীর মুক্তিযোদ্ধা । সন্মুখ যুদ্ধে শত্রুর মোকাবেলা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন কোম্পানিগঞ্জের বীরযোদ্ধা আবু নাছের। বামনির যুদ্ধের সেই ইতিহাস, রণাঙ্গনের দিনগুলো এবং তাঁর স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি। চলমান নোয়াখালী'র প্রিন্ট কপিতে ২০১৪ সালের ২৬ মার্চ আমরা তাঁর এই স্মৃতিচারণ ছেপেছিলাম। আজ অনলাইন পাঠকদের জন্য তা আপলোড করা হলো...Details
বুদ্ধিজীবী শহীদ মুনীর চৌধুরীর নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে গেছে
বুদ্ধিজীবী শহীদ মুনীর চৌধুরীর নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে গেছে
আনোয়ারুল হায়দার, চাটখিল::নোয়াখালীর কৃতি সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর গ্রামের বাড়ীতে প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে মুনীর চৌধুরীর পৈত্রিক এলাকার তাঁর স্মৃতি ধরে রাখার আর কোন উপায় রইলো না। বিদ্যালয়ের জমি নিয়ে মামলা বিদ্যালয়টি টিকে থাকার পথে মূল প্রতিবন্ধকতা বলে সরেজমিনে গেলে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে। শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর গ্রামের বাড়ী নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার শাহাপুর ইউনিয়নের গোপাইরবাগ গ্রামে।Details
ছেলে ফিরেনি, দেশতো স্বাধীন হয়েছে
ছেলে ফিরেনি, দেশতো স্বাধীন হয়েছে
::রুদ্র মাসুদ:: মো. সিরাজ মিয়া ১৭-১৮ বছরের টগবগে তরুন। বাবা জিনু মিয়া শ্রমিকের চাকরি করতেন খুলনার পিপলস্ জুট মিলে। তখনো যুদ্ধ শুরুই হয়নি। পরিবারে বাড়তি উপার্জনের জন্য বাবার সাথে তিনিও পাড়ি জামান খুলনায়। সেখান থেকে গিয়ে যশোরের ঝিনেদার বিখ্যাত সুইট হোটেলে শ্রমিকের চাকরি নেন। এদেশের মুক্তিকামী শ্রমিক-মেহনতী জনতার সাথে সিরাজ মিয়াও অংশ নেন স্বাধীনতা সংগ্রামে। অস্ত্র হাতে তুলে সশস্ত্র যুদ্ধে নামেন পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধে। সন্মুখ যুদ্ধে তিনদিন একাধারে লড়াই করে যশোরের ‘বিষয় খালী’ যুদ্ধে শহীদ হন তিনি। এতদূর থেকে মরদেহ বাড়িতে পাঠানো অসম্ভব ছিলো, তাই সহযোদ্ধারা সেখানেই তাঁকে সমাহিত করেন। ১৬’ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হয়। বাংলার আকাশে উদিত হয় স্বাধীনতার নতুন সুর্য। কিন্তু সিরাজ মিয়ার কোন খোঁজ জানেন না তাঁর মা ছবুরের নেছা।Details
কোম্পানীগঞ্জের বামনীর যুদ্ধের ৪১ বছর : ৭১'র এই দিনে শহীদ হন ৬ মুক্তিযোদ্ধা
কোম্পানীগঞ্জের বামনীর যুদ্ধের ৪১ বছর : ৭১'র এই দিনে শহীদ হন ৬ মুক্তিযোদ্ধা
রুদ্র মাসুদ::আজ ৪ সেপ্টেম্বর। ৭১’র এই দিনে কোম্পানীগঞ্জের বামনীর যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন ৬ মুক্তিযোদ্ধা। আজকের এই দিনটি তাই কোম্পানীগঞ্জবাসীর কাছে স্মরণীয়। এ যুদ্ধে শহীদদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পন, মিলাদ মাহফিল, তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও চৌমুহনী কলেজের প্রাক্তন ছাত্র শহীদ ছালেহ আহম্মেদ মজুমদারের স্মরনে আজ চৌমুহনী সরকারি ছালেহ আহম্মেদ কলেজে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া শহীদ আমান উল্যা চৌধুরী ফারুক স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে বেগমগঞ্জের কাজীর হাটে শহীদ আমান উল্যা ফারুক স্মরনে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।Details
গোপালপুর গণহত্যা : খাল ভর্তি লাশ আর রক্তে লাল বর্ষায় টইটম্বুর খালের পানি
গোপালপুর গণহত্যা : খাল ভর্তি লাশ আর রক্তে লাল বর্ষায় টইটম্বুর খালের পানি
রুদ্র মাসুদ :: একাত্তরে নোয়াখালীতে সবচেয়ে বড় বর্বরোচিত গণহত্যা সংঘটিত হয় বেগমগঞ্জের গোপালপুর বাজারে। ১৯ আগষ্ট সকালে স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগীতায় ৫৪জন নিরীহ জনসাধারণকে খালপাড়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে পাকিস্থানী আর্মিরা। হত্যাযজ্ঞ শেষে পাক আর্মি ও রাজাকাররা চলে যাওয়ার পর যার যার স্বজনরা তাদের লাশ নিয়ে যায়। যার মধ্যে ২৪ জনের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে। যাদের নামসহ স্বাধীনতার ১৭ বছর পর গোপালপুর বাজারে স্থাপিত হয় স্মৃতিস্তম্ভ। স্থানীয় জনতা কাবের উদ্যোগে স্মৃতি স্তম্ভটিই এখন সেই র্ববরোচিত লোমহর্ষক গণহত্যার একমাত্র নিদর্শন।Details
স্কুল পালানো কিশোরের রণাঙ্গনের চিঠি, অতপর শহীদ
পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন স্কুল ছাত্র আমান উল্যা ফারুক। যুদ্ধে অংশ নেওয়ার কারণ জানিয়ে রণাঙ্গন থেকেই বাবাকে লেখেন চিঠি। তিনি আর রণাঙ্গণ থেকে ফিরেননি। শহীদ হয়েছেন বামনীর যুদ্ধে। সেই কিশোরকে নিয়ে লিখেছেন মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বাঙালী...Details
অস্ত্র ছাড়াই দেয়াল টপকে থানা কম্পাউন্ডে ঢুকি
অস্ত্র ছাড়াই দেয়াল টপকে থানা কম্পাউন্ডে ঢুকি
আমরা পাঁচ ভাই এক বোনের মধ্যে আমি ছিলা মেঝো। যুদ্ধকালীন সময়ে তখন আমি চৌমুহনী কলেজের ছাত্র। যুদ্ধের আগেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলাম। বঙ্গবন্ধুর আহবানে সাড়া দিয়ে সেদিন যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। সশস্ত্র যুদ্ধ হওয়ার পর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করাসহ নানান কাজেই সময় চলে যায়। এপ্রিলের মধ্যভাগে ট্রেণিংয়ের জন্য ভারতের চোত্তাখোলা হয়ে হাপলং ট্রেণিং সেন্টারে পৌঁছি। প্রায় দুই মাস ট্রেণিং শেষে মধ্য জুনে ফিরে আসি। নিযুক্ত হই তখন কোম্পানীগঞ্জ থানা বিএলএফ’র ডেপুটি কমান্ডার হিসাবে। তখন কোম্পানীগঞ্জ থানা বিএলএফ কমান্ডার ছিলো আব্দুর রাজ্জাক। ওবায়দুল কাদের এলাকায় আসার পর তিনি থানা বিএলএফ এর কমান্ডার নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধকালীণ সময়ে রণাঙ্গনের স্মৃতিচারণ নিয়ে লিখছেন খিজির হায়াত খান...Details
Showing Page 1 of 1 No more page No more page 1No more page No more page