নিউইয়র্কে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবসের সমাবেশে আমানুল্লাহ আমান- বীরের বেশে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান
11
হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ, নিউইয়র্ক থেকে-
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আমানুল্লাহ আমান বলেছেন, বাংলাদেশকে নেতৃত্বশুন্য করার চক্রান্তের অংশ হিসেবে তারেক রহমান সহ জিয়া পরিবারের উপর অত্যাচার নির্যাতনের খড়গ চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন,বাংলাদেশের জাতীয়বাদী শক্তির আগামী দিনের আশা ভরসা হচ্ছেন তারেক রহমান। তার নেতৃত্বেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ কাংখিত গন্তব্যে। এজন্য চক্রান্তকারীরা জেল জুলুম হুলিয়া সহ অপপ্রচার চালাচ্ছে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে। আওয়ামী অপপ্রচার গোয়েবলসীয় মিথ্যাচারকেও হার মানিয়েছে। কিন্তু এসব করে লাভ হবে না। বাংলাদেশের ১৫কোটি মানুষের নেতা হিসেবে বীরের বেশে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান। অত্যাচার নির্যাতন করে তারেক রহমানের জনপ্রিয়তাকে ঢেকে রাখা যাবে না।
তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গত ৪ সেপ্টম্বর রোববার আয়োজিত এক র‌্যালি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষনে তিনি একথা বলেন।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশীসহ দক্ষিণ এশিয়াদের প্রানকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত জ্যাকসন হাইটসে আয়োজন করা হয় এই সমাবেশের। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি, যুবদল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ জয়নাল আবদীন ফারুক।
সমাবেশে বিএনপি সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন। মুক্তির প্রতীক শ্বেত কপোত ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত বেলুন উড়িয়ে সুচনা করা হয় সমাবেশের।
অনুষ্ঠানে আমানুল্লাহ আমান বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অনেক কথা, অপবাদ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এর কোন প্রমান দাখিল করতে পারেনি কেউ। এটাই প্রমান করে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক জিঘাংশায় মেতে উঠেছে সরকার।
তিনি বলেন, সরকারের পায়ের নীচে মাটি নেই। তারা জানে আজ তারেক রহমানে দেশে ফিরলে কোটি মানুষ ফুলের মালাতে সম্ভাষন জানাবে তাকে। সেটাই তাদের ভয়ের কারণ। এজন্য একের পর এক মিথ্যা মামলাতে ফাঁসানোর চক্রান্ত চলছে তারেক ও কোকোকে। কিন্তু তাতে কোন লাভ হবে না।
আমানুল্লাহ আমান বলেন, এই সরকারের মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী তনয়ের দূর্নীতি এখন আন্তর্জাতিক মিডিযায় শীর্ষ খবর হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। উইকিলিকে যোগাযোগমন্ত্রীর দূর্নীতির খবর আজ বিশ্বজোড়া। প্রধানমন্ত্রী কি বিচার করেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।
তিনি বলেন, চীফ হুইপ জয়নাল আবদীন ফারুককে আক্রমন করেছে পুলিশ। সরকারী প্রশ্রয় ছাড়া এধরনের আক্রমন হতে পারে না। এখানেই শেষ নয়, জয়নাল আবদীন ফারুকের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীকে লুট করা হয়েছে।
আমানুল্লাহ আমান বলেন, এই সরকার দেশকে বিদেশেীদের হাতে তুলে দিতে চাচ্ছে। ৩০ ল শহীদের ররে বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা আজ বিপন্ন। এজন্য দেশ ও মানুষ বাঁচাতে তিনি প্রবাসীদের সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।
জয়নাল আবদীন ফারুক বলেন, দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এজন্য বিভেদ বিভক্তি ভুলে সকলকে সরকার বিরোধী আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ার আহবান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএপির প্রতিষ্টাতা আহবায়ক ডাঃ মুজিবুর রহমান মজুমদার, সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাট। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু।
অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন নেতৃবৃন্দের মধ্যে আলহাজ্ব সুলাইমান ভুইয়া, গিয়াস আহমদে, বেলাল মাহমুদ, জসীম ভুইয়া, আকতার হোসেন বাদল, আনোয়ারুল ইসলাম, ডাঃ গুলজার,আবু সাইদ আহমদ, তোফায়েল চৌধুরী লিটন, গোলাম ফারুক শাহীন, সৈয়দ জোবায়ের আলী, শরীফ আহমদ লস্কর, হেলাল উদ্দীন, আশরাফ উদ্দীন ঠাকুর,তাজুল ইসলাম খান,আতিকুল হক আহাদ,আমানত হোসেন আমান, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, আজাহারুল হক মিলন,রেজাউল আজাদ ভুইয়া,এবাদ চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন মিয়া,এমদাদ তরফদার,পারভেজ সাজ্জাদ, ফারুক চৌধুরী,কয়েস আহমদ চৌধুরী, সৈয়দ এনাম আহমদ, একেএম রফিকুল ইসলাম ডালিম, সাইদুর রহমান সাইদ, খালেক আকন্দ, সারোয়ার খান বাবু,মিজানুর রহমান মিজান,জীবন সফি,আনোয়ারুল হক লেবু,কাজী আমিনুল ইসলাম স্বপন, আব্দুল বাসিত, শাহাদাত হোসেন রাজু, মাওলানা আব্দুর রহমান, মাওলানা আতিকুল্লাহ,আমিনুল ইসলাম কচি,গিয়াস উদ্দীন, শামসুল ইসলাম মজনু,ভিপি জসীম,আতাউর রহমান আতা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ক্রীড়া ও সংস্কৃতির খবর