তিনি এলেন, দেখলেন, জয় করলেন...
রৌদ্রের প্রচন্ড খরতাপের পর একটি জনপদের মানুষ উন্মুখ, অধীর অপেক্ষায় থাকে কখন বৃষ্টি নামবে,11 মানুষ হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে। শীতল স্পর্শে জীবনে পরমায়ু লাভ করবে, জীবন হবে শান্তিপূর্ণ, হবে গতিময়। তেমনি ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র মতো আলোচিত ওয়ান ইলাভেনের পর স্বপ্নীল ডানায় ভর করে তিনি এলেন- মানুষের স্বপ্ন দুয়ার খুলে দিলেন। আকাঙ্খারবীজ বপন করলেন, হতাশার অন্ধকার ছাপিয়ে আলোর হাতিছানি দিয়ে ডাকলেন বেগমগঞ্জ-সোনাইমুড়ি অঞ্চলের গণমানুষকে। উন্নয়নের অভিলাষে শুরু করলেন পথচলা। রাস্তা-ঘাট, পোল, ব্রীজ-কালভার্ট থেকে শুরু করে দ্ররিদ্রতা দূরীকরণে নানামুখী কার্যক্রম হাতে নেওয়া। শিক্ষিত জনগোষ্ঠিকে দক্ষজনশক্তিতে রূপান্তর, শিক্ষার্থীকে আলোকিত মানুষ হিসাবে প্রতিষ্ঠায় উজ্জীবিত করা, নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের বাতাবরণ খুলে দেওয়া, ইভটিজিং প্রতিরোধ, জীবনকে সুন্দর আলোকিত ছায়ায় নিয়ে আসা, জীবনের পরতে পরতে নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীলতার আলোয় উদ্ভাসিত করা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা তথা এ জনপদের সকল মানুষের জীবনমান উন্নীত করণে কল্যাণমুখী ও জীবনমুখী কার্যক্রম গ্রহণে এক বিশাল কার্যক্রম হাতে নেওয়া।
তিনি আর কেউ নন- বেগমগঞ্জের সাধারণ মানুষের অতি পরিচিত, আপনার আপন, নন্দিত ভাইয়া মিনহাজ আহমেদ জাবেদ। কল্পকাহিনী নয়, সস্তা জনপ্রিয়তা নয়, মানুষের জীবনের কল্যাণকামিতায় যিনি বাস্তবায়িত করেছেন স্বপ্নকে, অবদমিত আকাঙ্খাকে। দীর্ঘদিনের না পাওয়া উন্নয়ন, বঞ্চনা, হতাশার কালিমাকে আলোকিত জীবনের ঝরণাধারায় নিয়ে এসেছেন যিনি, তিনিইতো বেগমগঞ্জের জাবেদ ভাইয়া। হতাশার নিমগ্ন মানুষের, বিপন্ন অসহায়দের ইংরেজ কবি শেকস্পীয়ারের ভাষায় ‘The measurable have no other alternative expect hope‘ দুঃখিতজনের আশা ভিন্ন বেঁচে থাকার আর কোনো পথ নেই’ তেমনি তিনিও আশার প্রদীপ হয়ে বেঁচে থাকুন মানুষের হৃদয়ে, মানুষের ভালোবাসায়, মানুষের উন্নয়নে গণমানুষের কল্যাণে।
তিনি নেই কোথায় ?  সেই ১নং আমান উল্যাপুর থেকে শুরু করে ১৬ কাদিরপুরের অঁজপাড়া গাঁয়ে যেখানে মানুষ স্বপ্নেও ভাবেনাই রাস্তাঘাটের এ অভাবিত উন্নতি তাঁদের দুর্দশা লাঘবে একজন মানুষ তাঁদেরকে যাদুর স্পর্শে জাগিয়ে তুলবেন জীবনের অবারিত স্রোতে, অপরিমেয় জীবনের আসার সম্ভাবনার উজ্জীবনি শক্তিতে সেই তিনিই জাবেদ ভাই। বেগমগঞ্জের প্রাণকেন্দ্র তথা বাংলাদেশের  অন্যতম বাণিজ্যিক নগরী চৌমুহনীতে চোখ মেলে তাকালেই দেখি মসজিদের অপরা সৌন্দর্য্য ও নান্দনিক, দৃষ্টিনন্দন শৈল্পিক নির্মাণে তাঁর সহৃদয় সহায়তায় এবং শুরুতে ২ কোটি টাকার সরকারি অনুদান প্রাপ্তিতে। চৌমুহনীর অবহেলিত গণমিলনায়তন নির্মাণে তাঁর অব্যাহত প্রচেষ্টায়অ এটি আজ স্বগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে চৌমুহনী তথা বেগমগঞ্জের গণমানুষের গৌরবদৃপ্ত আকাঙ্খাকে সমুন্নত করেছে। বেগমগঞ্জের আরো একটি অপার সম্ভাবনার তথা নোয়াখালীবাসীর দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত ও লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষে তাঁর একান্ত প্রচেষ্টায় কাজ সমাপ্তির পথে এগিয়ে চলেছে- ‘নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল’। এ অঞ্চলের দুরারোগ্য ব্যাধিতে চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে মৃত্যু তাঁকে ব্যাথিত ও বেদনার্ত করে অশ্রুসজল করিছিলো একটি অনাকাঙ্খিত মৃত্যু আর সেই থেকে তিন পণ করেছিলেন সুযোগ পেলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে এবং মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠায় জীবনবাজি রেখে কাজ করবেন। আজ তাঁর স্বপ্ন এবং বেগমগঞ্জের গণমানুষের আকাঙ্খার সফল সমাপ্তির পথে। এ রকম অসংখ্য জীবনমুখী কাজের সাথে যিনি নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত থাকবেন বলে বলে আমাদের বিশ্বাস।
আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কবে, কথায় না বড় হয়ে- কাজে বড় হবে। তিনি প্রমান করেছেন কথায় নয়- কাজে। আর তার প্রমান স্বাধীনতা, শ্যৈয্য বীর্জের ও জাতীয় গৌরব গাঁথার প্রতীক, ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চৌমুহনী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ, যা যুগ যুগ ধরে অবহেলিত ছিলো। জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবদীপ্ত সোনালী সূর্য্যকে যাঁরা ছিনিয়ে এনেছিলো, যাঁদের আত্মত্যাগ, রক্তদানের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন ভূখন্ডে দু-হাত প্রসারিত করে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারছি, স্বাধীনভাবে বেঁচে আছি- সেইসব সুর্য্য সন্তানদের কিছুটা হলেও সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রত্যেক ইউনিয়নে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ঘর করে দেওয়া। বিনোদন ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে তাঁর অন্যতম সফল কাজ বেগমগঞ্জ কালচারাল একাডেমী নির্মাণ, যা সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে, জাতীয় কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করবে। লালন করবে এবং জাতীকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে সৃষ্টি সুখের উল্লাসে।
আর তাই মানুষের স্বপ্নকে যিনি ধারণ করলেন, লালন করলেন, তিনি আমাদের উন্নয়নে আমাদের অগ্রগতিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিবেন তা জনগণের প্রত্যাশা। একদা যিনি অনেকটা ধূমকেতুর মতো আবিভর্‚ত হলেন, দেখলেন এবং মানুষের হৃদয় জয় করলেন তিনি হারিয়ে যাননি বিগত নির্বাচনের পরও, হারিয়ে যাবেন না আগামিতেও। বেগমগঞ্জের গণমানুষের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, উন্নয়ন-অগ্রগতি ও কল্যাণের সাথি হয়ে ভবিষ্যতের পানে এগিয়ে যাবেন- সত্য সুন্দর ও আলোকিত জীবনের পথে এ প্রত্যাশায়।
প্রচারে-
বেগমগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণ।