লক্ষ্মীপুরে ছাত্রীকে বেঁধে নির্যাতন, গ্রেফতার- ১
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসা যাওয়ার পথে ৬ষ্ট শ্রেণীর এক ছাত্রীকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে র্ববর নির্যাতন করেছে দূর্বত্তরা। নির্যাতিত পরিবারের পক্ষ থেকে  এ ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে  ৬ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলার পর রাতে  ঘটনায় জড়িত থাকায় রাসেল নামে একজনকে আটক করেন পুলিশ ।
পুলিশ ও মামলার এজহার সূত্রে জানাগেছে, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার  দক্ষিন হামছাদীর সোনাপুর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে প্রতিদিনের মত মাদ্রাসার উদ্দেশ্য বের হয় ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রী। সে হাসনাবাদ দারুল উলুম মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রী। মাদ্রাসার কাছাকাছি এলাকায় পৌঁছলে রাসেলের নেতৃত্বে ৫/৬জনের একদল সন্ত্রাসী ওই ছাত্রীর পথ গতিরোধ করে জোরপূর্বকভাবে চোখ মুখ বেঁধে নিয়ে যায়। পরে বাগানে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে পাশবিক নির্যাতন  চালায় তারা। এক পর্যায়ে  ব্লেড দিয়ে তার হাত ও পায়ের বিভিন্ন অংশ কেটে দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে রেখে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।অপহরন করে তুলে নেয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে মাদ্রাসা শিক্ষক ও তার আত্মীয়স্বজন  তাকে খোঁজাখুজির দুই ঘন্টা পর বাগানে গাছের সাথে বাঁধা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে। গুরুতর আহত অবস্থায় লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় রাসেল,ভুল ও কিরনসহ ৬জনকে আসামী করে ধর্ষন ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগে  একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে রাসেল নামে একজনকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন মাদ্রাসার সহপাঠি ও শিক্ষকরা।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.গিয়াস উদ্দিন মিয়া জানান, মাদ্রাসা যাওয়ার পথে এক  ছাত্রীকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে র্ববর নির্যাতন করেছে কয়েকজন সন্ত্রাসী । এঘটনায় ৬ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করেছেন নির্যাতি ছাত্রীর মা। মামলায় ধর্ষনের অভিযোগ আনা  হয়েছে। মামলার পর পুলিশ  রাতে ঘটনায় জড়িত থাকায় রাসেল নামে একজনকে আটক করে। বাকীদের গ্রেফতার অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।