চ.নো.রিপোর্ট-
যানজটের দুঃসহ যন্ত্রণা এড়াতে ট্রেনে ভ্রমন আর সেই ট্রেনেই এখন কমছে যাত্রীসেবা বাড়ছে চোরাচালানীদের সেবাদান। রেলের ষ্টাফ ও নিরাপত্তাকর্মীদের সামনে প্রকাশ্যে এমন ঘটনা ঘটছে প্রতিদিনি। ঢাকা-নোয়াখালী রুটের আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেসের যাত্রী রফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার চৌমুহনী ষ্টেশনে নেমে এমন ক্ষোভের কথা বলছিলেন চেঁছিয়ে।
এসময় একাধিক যাত্রী অভিযোগ করেন ট্রেনের কামরা ও টয়লেটগুলো অপরিষ্কার, পানি থাকে না, পাখা ঘুরে না এমনকি উপক‚ল এক্সপ্রেসের অভ্যন্তরীণ সেবার মানও নিম্নমুখী অথচ পথে পথে ট্রেনে তোলা হচ্ছে চোরাই ভারতীয় পন্য।
উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেণে ভ্রমণকারী যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন সীমান্তবতী ষ্টেশন মন্দভাগ ও শশীদল এলাকা থেকে এসব চোরাচালানের মালামাল তোলা হয় প্রকাশ্যেই। সোনাইমুড়ি ষ্টেশনে বেশীরভাগ মালামাল খালাস করা হয়।
এনিয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে জিআরপির লাকসাম থানার অধীন চৌমুহনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই মোস্তফা জানান, নিয়মিত চেকআপ করা হয় ট্রেনগুলোতে। পাশাপাশি চোরাচালন বিরোধী অভিযানও অব্যাহত রয়েছে তাদের।
যানজটের দুঃসহ যন্ত্রণা এড়াতে ট্রেনে ভ্রমন আর সেই ট্রেনেই এখন কমছে যাত্রীসেবা বাড়ছে চোরাচালানীদের সেবাদান। রেলের ষ্টাফ ও নিরাপত্তাকর্মীদের সামনে প্রকাশ্যে এমন ঘটনা ঘটছে প্রতিদিনি। ঢাকা-নোয়াখালী রুটের আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেসের যাত্রী রফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার চৌমুহনী ষ্টেশনে নেমে এমন ক্ষোভের কথা বলছিলেন চেঁছিয়ে।
এসময় একাধিক যাত্রী অভিযোগ করেন ট্রেনের কামরা ও টয়লেটগুলো অপরিষ্কার, পানি থাকে না, পাখা ঘুরে না এমনকি উপক‚ল এক্সপ্রেসের অভ্যন্তরীণ সেবার মানও নিম্নমুখী অথচ পথে পথে ট্রেনে তোলা হচ্ছে চোরাই ভারতীয় পন্য।
উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেণে ভ্রমণকারী যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন সীমান্তবতী ষ্টেশন মন্দভাগ ও শশীদল এলাকা থেকে এসব চোরাচালানের মালামাল তোলা হয় প্রকাশ্যেই। সোনাইমুড়ি ষ্টেশনে বেশীরভাগ মালামাল খালাস করা হয়।
এনিয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে জিআরপির লাকসাম থানার অধীন চৌমুহনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই মোস্তফা জানান, নিয়মিত চেকআপ করা হয় ট্রেনগুলোতে। পাশাপাশি চোরাচালন বিরোধী অভিযানও অব্যাহত রয়েছে তাদের।





