চ.নো.রিপোর্ট-
বাবার সিদ্ধান্ত বিয়ে হবে। পাত্রও ঠিক করা হয়েছে, ঠিক ছিলো বিয়ের দিন তারিখও। সেই মোতাবেক গতকাল বৃহস্পতিবার মহা ধুমধামে চলে বিয়ে আর রসনাতৃপ্ত খাবারের আয়োজনও। কিন্তু সচেতন এলাকাবাসী যেনো কিছুইতেই মানতে পারলোনা একজন কিশোরীর বাল্য বিবাহ। উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করতেই তাদের হস্তক্ষেপে এই যাত্রায় রক্ষা পায় নোয়াখালীর সেনবাগের নবীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণীর ছাত্রী পারভীন আক্তারের শিক্ষাজীবন। বন্ধ হয় বিয়ের আয়োজন, আর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে পিতা অলি উল্যাহ প্রতিশ্র“তি দেন মেয়ের পড়ালেখা চালিয়ে যাবার।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার নবীপুর গ্রামের স্কুল ছাত্রী পারভীন আক্তারের (১৫) সঙ্গে বৃহস্পতিবার পাশ্ববর্তী ফেনীর দাগনভূঁইয়া উপজেলার চন্ডীপুর গ্রামের মৃত আবদুল ছালামের পুত্র আবদুল হান্নানের (২৫) সঙ্গে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক ছিলো। কনের বাড়িতে দুপুরে বিয়ের সকল প্রস্তুতিও চলছিলো। বিষয়টি এলাকার লোকজন মুঠো ফোনে দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ার পাশাকে অবহিত করলে তিনি সেনবাগ থানার ওসি মুক্তার হোসেন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিা অফিসার আবদুর রহিম খানকে বিষয়টি দ্রুত দেখতে বলেন।
দ্রুত তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দেখেন মহা ধুমধামে চলছিলো বিয়ের আয়োজন। পরবর্তীতে তারা পারভীনের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে বসে বাল্য বিয়ের কুফল নিয়ে তাদেরকে দীর্ঘ সময় বুঝান। এতে মন গলে পারভীন আক্তারের পিতা অলি উল্লার। তিনি মেয়ের লেখা পড়া চালিয়ে যাবার প্রতিশ্র“তি দেয় এবং বাল্য বিয়ে থেকে সরে আসেন। এমনকি মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বাল্য বিয়ে দিবে না এবং লেখা পড়া চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গিকার করেন।
উল্লেখ্য- এর আগে গত সোমবার রাতে উপজেলার শ্রীপদ্দি গ্রামে সালমা আক্তার (১৩) নামে আরেক স্কুল ছাত্রীর বাল্য বিয়ে বন্ধ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা।
বাবার সিদ্ধান্ত বিয়ে হবে। পাত্রও ঠিক করা হয়েছে, ঠিক ছিলো বিয়ের দিন তারিখও। সেই মোতাবেক গতকাল বৃহস্পতিবার মহা ধুমধামে চলে বিয়ে আর রসনাতৃপ্ত খাবারের আয়োজনও। কিন্তু সচেতন এলাকাবাসী যেনো কিছুইতেই মানতে পারলোনা একজন কিশোরীর বাল্য বিবাহ। উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করতেই তাদের হস্তক্ষেপে এই যাত্রায় রক্ষা পায় নোয়াখালীর সেনবাগের নবীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণীর ছাত্রী পারভীন আক্তারের শিক্ষাজীবন। বন্ধ হয় বিয়ের আয়োজন, আর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে পিতা অলি উল্যাহ প্রতিশ্র“তি দেন মেয়ের পড়ালেখা চালিয়ে যাবার।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার নবীপুর গ্রামের স্কুল ছাত্রী পারভীন আক্তারের (১৫) সঙ্গে বৃহস্পতিবার পাশ্ববর্তী ফেনীর দাগনভূঁইয়া উপজেলার চন্ডীপুর গ্রামের মৃত আবদুল ছালামের পুত্র আবদুল হান্নানের (২৫) সঙ্গে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক ছিলো। কনের বাড়িতে দুপুরে বিয়ের সকল প্রস্তুতিও চলছিলো। বিষয়টি এলাকার লোকজন মুঠো ফোনে দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ার পাশাকে অবহিত করলে তিনি সেনবাগ থানার ওসি মুক্তার হোসেন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিা অফিসার আবদুর রহিম খানকে বিষয়টি দ্রুত দেখতে বলেন।
দ্রুত তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দেখেন মহা ধুমধামে চলছিলো বিয়ের আয়োজন। পরবর্তীতে তারা পারভীনের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে বসে বাল্য বিয়ের কুফল নিয়ে তাদেরকে দীর্ঘ সময় বুঝান। এতে মন গলে পারভীন আক্তারের পিতা অলি উল্লার। তিনি মেয়ের লেখা পড়া চালিয়ে যাবার প্রতিশ্র“তি দেয় এবং বাল্য বিয়ে থেকে সরে আসেন। এমনকি মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বাল্য বিয়ে দিবে না এবং লেখা পড়া চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গিকার করেন।
উল্লেখ্য- এর আগে গত সোমবার রাতে উপজেলার শ্রীপদ্দি গ্রামে সালমা আক্তার (১৩) নামে আরেক স্কুল ছাত্রীর বাল্য বিয়ে বন্ধ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা।





