রুদ্র মাসুদ-
ঢাকার মতিঝিলে এসআলম কাউন্টারে খুন হওয়া তরুণ মোবাইল ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ানের দাফন
সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার রাত আড়াইটায় নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাতাকান্দি গ্রামের বাড়িতে নামাজে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। এসময় তাঁর স্ত্রী, কন্যাসহ আত্মীয় স্বজনদের কান্নায় গোটা এলাকার বাতাস ভারী করে তোলে।
স্থানীয় লোকজন ও সুফিয়ানের আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, সেনবাগ ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সুফিয়ানের বিরুদ্ধে ‘ওকে ধরিয়ে দিন’ শিরোনামে প্রচার পত্র লাগানোর এক সপ্তাহের মাথায় সোমবার বাস কাউন্টারে খুন হন তিনি। সেনবাগের বাতাকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুর রবের পুত্র আবু সুফিয়ানের (৩৮) গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ারে আধুনিক টেলিকম নামে মেবাইল সামগ্রীর একটি দোকান ছিলো। তারা দুই বোন এক ভাই। মা-বাবা কেউই জীবিত নেই। শান্ত প্রকৃতির সুফিয়ানের সাথে এলাকায় কারো কোন ব্যক্তিগত দ্বন্ধ ছিলো না। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত সুফিয়ানের স্ত্রী ও দুই মেয়ে রয়েছে। তন্মধ্যে এক মেয়ে প্রতিবন্ধী। স¤প্রতি ব্যবসায় লোকসানের কারণে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন সুফিয়ান। কিছুদিন পূর্বে ঢাকার বাসা থেকে স্ত্রী সন্তানদের চট্টগ্রামে শ্বশুর বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে সেনবাগ উপজেলা সদর ও আশেপাশের এলাকায় অজ্ঞাত কয়েক ব্যক্তি ‘ ওকে ধরিয়ে দিন’ শিরোনামে সুফিয়ানের ছবি সম্বলিত একটি পচারপত্র (লিফলেট) বিভিন্ন দোকানে সেঁটে দেয়। যার প্রথম অংশে লেখা রয়েছে- এতে সুফিয়ানের গ্রামের ঠিকানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়।
লিফলেটে আরো উল্লেখ করা হয়, সুফিয়ান ঢাকার চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ এর মালিক মোতাহার হোসেন চৌধুরী (শিপু) এবং মেসার্স কর্ণফুলী সেন্টারের মালিক মোঃ হোসেন হইতে মোটা অংকের টাকা আত্মসাত করে দীর্ঘদিন যাবৎ পলাতক রয়েছে। কোন সচেতন ব্যক্তি সুফিয়ানকে ধরিয়ে দিতে পারলে উপযুক্ত সম্মান করা হবে। যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়- চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ, ১৪ মদনপাল লেন, নবাবপুর, ঢাকা-১১০০। মোবাইল ফোনঃ ০১৭১২ ৮৭০৯৮৮ (শিপু), ০১৭১১৭৮৩৩৫৭।
সুফিয়ানের ফুফাতো ভাই সেনবাগ সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি জসিম উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাতে লাশ নিয়ে আসার পর তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তবে কি কারণে স¤প্রতি তাঁর ব্যবসা বাণিজ্য খারাপ যাচ্ছিলো বলে শুনেছেন। খুবই শান্ত প্রকৃতির সুফিয়ানের কাথে কখনো কারো দ্বন্ধ ছিলো বলে তিনি শুনেননি। কি কারণে খুন হয়েছেন তাও বলতে পারবেন না। যারা প্রচারপত্র লাগিয়েছে তারা এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার।
তিনি জানান, সুফিয়ানের চাচাতো ভাই মোজাম্মেল হোসেন সেলিম বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেছে। তদন্তেই প্রকৃত হত্যাকারীদের নাম বেরিয়ে আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
এদিকে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন সুফিয়ানের নামে সেনবাগ থানায় কোন মামলা নেই বলে নিশ্চিত করলেও প্রচারপত্র লাগানোর বিষয়টি তাঁর নজরে আসেনি বলে দাবি করেন।
ঢাকার মতিঝিলে এসআলম কাউন্টারে খুন হওয়া তরুণ মোবাইল ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ানের দাফন
সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার রাত আড়াইটায় নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাতাকান্দি গ্রামের বাড়িতে নামাজে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। এসময় তাঁর স্ত্রী, কন্যাসহ আত্মীয় স্বজনদের কান্নায় গোটা এলাকার বাতাস ভারী করে তোলে। স্থানীয় লোকজন ও সুফিয়ানের আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, সেনবাগ ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সুফিয়ানের বিরুদ্ধে ‘ওকে ধরিয়ে দিন’ শিরোনামে প্রচার পত্র লাগানোর এক সপ্তাহের মাথায় সোমবার বাস কাউন্টারে খুন হন তিনি। সেনবাগের বাতাকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুর রবের পুত্র আবু সুফিয়ানের (৩৮) গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ারে আধুনিক টেলিকম নামে মেবাইল সামগ্রীর একটি দোকান ছিলো। তারা দুই বোন এক ভাই। মা-বাবা কেউই জীবিত নেই। শান্ত প্রকৃতির সুফিয়ানের সাথে এলাকায় কারো কোন ব্যক্তিগত দ্বন্ধ ছিলো না। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত সুফিয়ানের স্ত্রী ও দুই মেয়ে রয়েছে। তন্মধ্যে এক মেয়ে প্রতিবন্ধী। স¤প্রতি ব্যবসায় লোকসানের কারণে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন সুফিয়ান। কিছুদিন পূর্বে ঢাকার বাসা থেকে স্ত্রী সন্তানদের চট্টগ্রামে শ্বশুর বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে সেনবাগ উপজেলা সদর ও আশেপাশের এলাকায় অজ্ঞাত কয়েক ব্যক্তি ‘ ওকে ধরিয়ে দিন’ শিরোনামে সুফিয়ানের ছবি সম্বলিত একটি পচারপত্র (লিফলেট) বিভিন্ন দোকানে সেঁটে দেয়। যার প্রথম অংশে লেখা রয়েছে- এতে সুফিয়ানের গ্রামের ঠিকানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়।
লিফলেটে আরো উল্লেখ করা হয়, সুফিয়ান ঢাকার চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ এর মালিক মোতাহার হোসেন চৌধুরী (শিপু) এবং মেসার্স কর্ণফুলী সেন্টারের মালিক মোঃ হোসেন হইতে মোটা অংকের টাকা আত্মসাত করে দীর্ঘদিন যাবৎ পলাতক রয়েছে। কোন সচেতন ব্যক্তি সুফিয়ানকে ধরিয়ে দিতে পারলে উপযুক্ত সম্মান করা হবে। যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়- চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ, ১৪ মদনপাল লেন, নবাবপুর, ঢাকা-১১০০। মোবাইল ফোনঃ ০১৭১২ ৮৭০৯৮৮ (শিপু), ০১৭১১৭৮৩৩৫৭।
সুফিয়ানের ফুফাতো ভাই সেনবাগ সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি জসিম উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাতে লাশ নিয়ে আসার পর তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তবে কি কারণে স¤প্রতি তাঁর ব্যবসা বাণিজ্য খারাপ যাচ্ছিলো বলে শুনেছেন। খুবই শান্ত প্রকৃতির সুফিয়ানের কাথে কখনো কারো দ্বন্ধ ছিলো বলে তিনি শুনেননি। কি কারণে খুন হয়েছেন তাও বলতে পারবেন না। যারা প্রচারপত্র লাগিয়েছে তারা এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার।
তিনি জানান, সুফিয়ানের চাচাতো ভাই মোজাম্মেল হোসেন সেলিম বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেছে। তদন্তেই প্রকৃত হত্যাকারীদের নাম বেরিয়ে আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
এদিকে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন সুফিয়ানের নামে সেনবাগ থানায় কোন মামলা নেই বলে নিশ্চিত করলেও প্রচারপত্র লাগানোর বিষয়টি তাঁর নজরে আসেনি বলে দাবি করেন।





