স্কন্ধে বহন করা বেজুইত পসরা কেবল ক্ষত করে, দগ্ধ করে
::জামাল হোসেন বিষাদ::
আলোর জন্য অপেক্ষা নিরন্তন। আলো অসবে বলেই বসে আছি অপেক্ষার গুণটেনে। গুণটেনে যতদূর যাই তাতে তৃপ্তির ফাঁকগলে ফসকে বেরিয়ে পড়ে অতৃপ্তির নিকষ অন্ধকার। তাই ফলবতী বৃক্ষের কাছে প্রার্থণা অঙ্কুরোদগমক্ষম বীজ দাও ধরিত্রীতে। বৃষ্টির কাছে প্রার্থণা শুভ্র দলে মুছে দাও সমস্থ জ্বরা।13 সমীরণের কাছে প্রার্থণা নির্মল হয়ে নীলকন্ঠে এনে দাও সঞ্জীবনী। মৃত্তিকার কাছে প্রার্থণা সহনশীল হয়ে মেনে নাও শ্রেষ্ঠের সমস্থ জঞ্জাল। কারণ আমরাতো নির্বোধ। আলখেল্লায় যাই হোক!
স্বপ্ন নিয়েই মানুষ বাঁচে। স্বপ্নের ফেরি করেই সে টিকে থাকে। আমিও স্বপ্নের ফেরিওয়ালা হতে চাই তবে প্রার্থণায় নিযুত নিবিড়তাহীন দূরত্বের কারণে আইলাই-বিইলাই। ষ্কন্ধে বহন করা বেজুইত পসরা কেবল ক্ষত করে, দগ্ধ করে, ফলবতী হয়ে ওঠেনা। ফলে প্রাপ্তির চেয়ে কাঁইছালি বাড়ে। কারণ এইসময়ে হেঁছগোছ’হীন মানুষের বৈপরিত্বে গুণটানা নিতান্ত কঠিন। তাই বলে কি থেমে থাকবো? ভাবি। একসময় ভাবলেশহীন হয়ে হুদামিছা সময় কাটাই। আবার যখন মননে বুনন শুরু হয় তখন প্রতিকূল পরিবেশে টলকানি বাড়ে।
প্রিয় পাঠক, এমন বেহুদা প্যাঁচালে নিরাশ হবেননা। বিশ্বাস করুণ আমি এমন সুন্দর দেশটাকে আপনার মত করেই ভালোবাসি। আমার জন্মদাত্রীর মত ভালোবাসি। আমার জন্মজেলাটাকে নারীর মত করেই ভালোবাসি। আমার মন বলে নারীর মত করে ভালোবাসায় কোনো খাদ থাকেনা। জীবনের চৌত্রিশ বসন্তে নিজের চেয়ে নিরন্ন, ভূখা-নাঙ্গা মানুষের পেছনে, জনজমিনে, জনতার কাছে, জনতার স্বরে, হাটে-ঘাটে, মাঠে-প্রান্তরে, শ্রমে-ঘামে সময় দিয়েছি। বলেছি, বলিয়েছি। দেখেছি এবং দেখিয়েছি। এখানে যে সুখ, যে তৃপ্তি তা আর কোথাও নেই।
চালকের আসনে সমাসীনগণ অন্ধকারকে মথিত করে আসুন আলোর জন্য গুণটানি। আলোকে বিশ্রাই।
লেখক :
কবি, সাংবাদিক::
নোয়াখালী প্রতিনিধি- বৈশাখী টেলিভিশন।
কর্মসূচী/অনুষ্ঠান ও প্রবাসের খবর